ট্যাবলেট মানেই শুধু ভিডিও দেখা, পড়াশোনা বা হালকা কাজ—এই ধারণাটা ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। বিশেষ করে গেমিং ও হাই-পারফরম্যান্স ট্যাবলেটের বাজারে এখন নির্মাতারা স্মার্টফোনের মতোই শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ব্যবহার করছে। সেই ধারাবাহিকতায় iQOO নিয়ে এসেছে iQOO Pad Ultra, যেটি মূলত গেমিং ও পারফরম্যান্সকে সামনে রেখে তৈরি একটি কমপ্যাক্ট ফ্ল্যাগশিপ ট্যাবলেট।
iQOO Pad Ultra-তে রয়েছে 8.8 ইঞ্চির 165Hz OLED ডিসপ্লে, 2nm প্রযুক্তির Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 প্ল্যাটফর্ম, 12GB/16GB RAM, সর্বোচ্চ 1TB স্টোরেজ এবং 9,020mAh ব্যাটারি। এর সঙ্গে রয়েছে আলাদা Q4 গেমিং চিপ এবং বিল্ট-ইন অ্যাক্টিভ কুলিং সিস্টেম।
চলুন দেখে নেওয়া যাক iQOO Pad Ultra features, specifications, price এবং এই নতুন ট্যাবলেটটি আসলে কী কী সুবিধা দিচ্ছে।
iQOO Pad Ultra-এর প্রধান ফিচার এক নজরে
- 8.8-inch AMOLED/OLED ডিসপ্লে
- 1440 × 2304 পিক্সেল রেজোলিউশন
- সর্বোচ্চ 165Hz রিফ্রেশ রেট
- Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6, 2nm চিপ
- LPDDR5X Ultra RAM
- UFS 4.1 স্টোরেজ
- 12GB/16GB RAM
- সর্বোচ্চ 1TB স্টোরেজ
- Q4 ডেডিকেটেড গেমিং চিপ
- বিল্ট-ইন অ্যাক্টিভ কুলিং ফ্যান
- 9,020mAh ব্যাটারি
- 66W ফাস্ট চার্জিং
- 13MP রিয়ার ও 8MP ফ্রন্ট ক্যামেরা
- OriginOS 7 HD
- USB 3.2 Gen 2 Type-C
- মাত্র 5.74mm পুরু এবং 298 গ্রাম ওজন
আরও পড়ুন: iQOO 16: Vivo-এর সাব ব্র্যান্ডের নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনটিতে কী কী থাকছে?
iQOO Pad Ultra-এর ডিসপ্লে
iQOO Pad Ultra-এর অন্যতম আকর্ষণ এর ডিসপ্লে। এতে রয়েছে 8.8-inch AMOLED/OLED প্যানেল, যার রেজোলিউশন 1440 × 2304 পিক্সেল এবং অ্যাসপেক্ট রেশিও 16:10। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই স্ক্রিনে সর্বোচ্চ 165Hz refresh rate পাওয়া যায়।
গেম খেলার সময় বেশি রিফ্রেশ রেটের সুবিধা বিশেষভাবে কাজে আসতে পারে। iQOO জানিয়েছে, নির্দিষ্ট গেমে 165Hz পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা যাবে।
টাচ রেসপন্সের দিক থেকেও ট্যাবলেটটি বেশ আগ্রাসী। সাধারণ ব্যবহারে টাচ স্যাম্পলিং 120Hz, গেমিংয়ে সর্বোচ্চ 500Hz এবং ইনস্ট্যান্ট টাচ স্যাম্পলিং 5000Hz পর্যন্ত যেতে পারে। ডিসপ্লেতে HDR সাপোর্ট এবং 8000000:1 কনট্রাস্ট রেশিওও রয়েছে।
অর্থাৎ, iQOO Pad Ultra display শুধু বড় স্ক্রিন দেওয়ার জন্য নয়; গেমিংয়ের দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও স্মুথ ভিজ্যুয়ালের দিকেও বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6: পারফরম্যান্সে জোর
iQOO Pad Ultra-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সম্ভবত এর প্রসেসর। এতে ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 মোবাইল প্ল্যাটফর্ম, যা 2nm প্রসেস প্রযুক্তির ওপর তৈরি। অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী এতে octa-core CPU এবং 1450MHz পর্যন্ত GPU ফ্রিকোয়েন্সি রয়েছে।
এর সঙ্গে রয়েছে LPDDR5X Ultra RAM এবং UFS 4.1 স্টোরেজ। ফলে অ্যাপ ওপেন করা, বড় গেম লোড করা, মাল্টিটাস্কিং বা ভারী কাজের ক্ষেত্রে দ্রুত পারফরম্যান্স পাওয়ার লক্ষ্যেই হার্ডওয়্যার সাজানো হয়েছে।
iQOO-এর দাবি অনুযায়ী, এই প্ল্যাটফর্মে আগের প্রজন্মের তুলনায় CPU পারফরম্যান্স 13 শতাংশ এবং GPU পারফরম্যান্স 44 শতাংশ পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। তবে এগুলো কোম্পানির নিজস্ব পরীক্ষার/তুলনার তথ্য; বাস্তব ব্যবহারে ফলাফল গেম, সফটওয়্যার ও তাপমাত্রার মতো বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে।
গেমিংয়ের জন্য আলাদা Q4 চিপ
iQOO Pad Ultra-কে সাধারণ ট্যাবলেটের চেয়ে আলাদা করে তুলতে কোম্পানি এতে Q4 gaming chip ব্যবহার করেছে।
এই চিপের মাধ্যমে উচ্চ ফ্রেম রেট, গ্রাফিক্স রেন্ডারিং ও AI-ভিত্তিক গেমিং প্রসেসিংয়ে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। iQOO-এর তথ্য অনুযায়ী, Q4 চিপে পারফরম্যান্স 15 শতাংশ, ক্যাশ স্পিড 19 শতাংশ এবং AI computing power 19 শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
নির্দিষ্ট কিছু গেমে 2K রেজোলিউশন, frame interpolation এবং 165 FPS-এর মতো ফিচারও সমর্থিত। তবে সব গেমে একই সুবিধা পাওয়া যাবে না এবং কিছু ফিচারের জন্য OTA আপডেট প্রয়োজন হতে পারে।
বিল্ট-ইন কুলিং ফ্যান—গেমারদের জন্য বড় সুবিধা
দীর্ঘ সময় গেম খেললে শক্তিশালী প্রসেসরের সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে তাপমাত্রা। iQOO Pad Ultra-তে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ স্তরের কুলিং সিস্টেম, বড় অ্যাক্টিভ কুলিং ফ্যান এবং মোট 23,253mm² কুলিং এরিয়া।
অর্থাৎ এটি শুধু বড় হিট সিঙ্কের ওপর নির্ভর করছে না; ট্যাবলেটের ভেতরেই সক্রিয়ভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে।
iQOO-এর নিজস্ব পরীক্ষায় একটি নির্দিষ্ট গেমে 60 মিনিটের ব্যবহারে গড় 164.3 FPS এবং সর্বোচ্চ 41.3°C শরীরের তাপমাত্রার কথা বলা হয়েছে। এটি অবশ্যই কোম্পানির ল্যাব টেস্টের ফল, তাই বাস্তব ব্যবহারে একই ফল পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
9,020mAh বড় ব্যাটারি
ব্যাটারির ক্ষেত্রেও iQOO Pad Ultra-তে কমতি রাখেনি। এতে রয়েছে 9,020mAh typical capacity ব্যাটারি এবং 66W fast charging। অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশনে rated capacity 8,830mAh-ও উল্লেখ করা হয়েছে।
কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, ট্যাবলেটটি 25 ঘণ্টা পর্যন্ত অনলাইন শর্ট ভিডিও, 29 ঘণ্টা পর্যন্ত অফলাইন ভিডিও এবং 10.75 ঘণ্টা পর্যন্ত 60FPS MOBA গেমিং চালাতে পারে। এগুলো নির্দিষ্ট পরীক্ষার পরিবেশের ফল; স্ক্রিন ব্রাইটনেস, নেটওয়ার্ক, গেমের সেটিংস এবং অন্যান্য ব্যবহারের ওপর ব্যাটারি ব্যাকআপ পরিবর্তিত হবে।
ক্যামেরা কেমন?
ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে ক্যামেরা সাধারণত প্রধান আকর্ষণ নয়, আর iQOO Pad Ultra-ও তার ব্যতিক্রম নয়।
এতে রয়েছে:
- 13MP rear camera
- 8MP front camera
- Rear camera দিয়ে সর্বোচ্চ 4K ভিডিও রেকর্ডিং
রিয়ার ক্যামেরায় Night, Portrait, Pro, Slow Motion, Time-lapse এবং document scanning-এর মতো বিভিন্ন মোড রয়েছে।
ভিডিও কল, অনলাইন ক্লাস, ডকুমেন্ট স্ক্যান বা দৈনন্দিন প্রয়োজনের জন্য ক্যামেরাগুলো যথেষ্ট হতে পারে। তবে যারা ট্যাবলেটকে মূলত ফটোগ্রাফির ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য এটি মূল ফোকাস নয়।
ডিজাইন ও ওজন
এত শক্তিশালী হার্ডওয়্যার থাকার পরও iQOO Pad Ultra-এর পুরুত্ব মাত্র 5.74mm এবং ওজন প্রায় 298 গ্রাম। এর দৈর্ঘ্য 197.36mm এবং প্রস্থ 126.25mm।
ডিভাইসটি Star Titanium Silver এবং Shadow Black—এই দুটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে।
ছোট আকার, কম ওজন ও 8.8-ইঞ্চি স্ক্রিনের কারণে এটি বড় 12-13 ইঞ্চি ট্যাবলেটের তুলনায় বহন করা সহজ হতে পারে। বিশেষ করে গেমিংয়ের সময় দীর্ঘক্ষণ হাতে ধরে ব্যবহারের বিষয়টিও এখানে বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সফটওয়্যার ও অন্যান্য সুবিধা
iQOO Pad Ultra-তে রয়েছে OriginOS 7 HD। সফটওয়্যারে PC-level WPS, AI PPT assistant, wireless printing, multi-device connectivity, note-taking এবং অন্যান্য productivity feature রয়েছে।
অর্থাৎ ডিভাইসটি শুধু gaming tablet নয়; পড়াশোনা, অফিসের কাজ, নোট নেওয়া, ডকুমেন্ট এডিটিং এবং মিডিয়া ব্যবহারের জন্যও ব্যবহার করা যাবে।
তবে এখানে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—OriginOS 7 HD-এর কিছু ফিচার চীনা বাজারকেন্দ্রিক হতে পারে। বাংলাদেশ বা ভারতের বাজারে ডিভাইসটি অফিসিয়ালি এলে সফটওয়্যার ও সার্ভিসের প্রাপ্যতা আলাদা হতে পারে।
iQOO Pad Ultra-এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন
| ফিচার | স্পেসিফিকেশন |
|---|---|
| ডিসপ্লে | 8.8-inch AMOLED/OLED |
| রেজোলিউশন | 1440 × 2304 pixels |
| রিফ্রেশ রেট | Up to 165Hz |
| টাচ স্যাম্পলিং | 120Hz / Gaming 500Hz / Instant 5000Hz |
| প্রসেসর | Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 |
| CPU | Octa-core |
| প্রসেস | 2nm |
| GPU Frequency | 1450MHz |
| RAM | 12GB / 16GB LPDDR5X Ultra |
| Storage | 256GB / 512GB / 1TB UFS 4.1 |
| Rear Camera | 13MP |
| Front Camera | 8MP |
| Rear Video | Up to 4K |
| Battery | 9,020mAh typical |
| Charging | 66W |
| OS | OriginOS 7 HD |
| Connectivity | Wi-Fi, Bluetooth |
| USB | USB 3.2 Gen 2 Type-C |
| Thickness | 5.74mm |
| Weight | 298g |
| Colours | Silver, Black |
উপরের মূল স্পেসিফিকেশনগুলো iQOO-এর অফিসিয়াল পণ্য পেজের তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।
iQOO Pad Ultra-এর দাম কত?
এখন আসা যাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে—iQOO Pad Ultra price কত?
চীনে iQOO Pad Ultra-এর অফিসিয়াল লঞ্চ মূল্য কনফিগারেশন অনুযায়ী এমন:
- 12GB + 256GB — 6,499 yuan
- 16GB + 256GB — 7,199 yuan
- 16GB + 512GB — 7,999 yuan
- 16GB + 1TB — 8,999 yuan
iQOO-এর অফিসিয়াল চীনা ওয়েবসাইটে এই দামগুলো প্রকাশ করা হয়েছে এবং ডিভাইসটির লঞ্চ সময় সেপ্টেম্বর 2026 হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
ভারতের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিভিন্ন ট্র্যাকার iQOO Pad Ultra-এর সম্ভাব্য/অনানুষ্ঠানিক দাম দেখালেও এটিকে অফিসিয়াল ভারতীয় মূল্য হিসেবে ধরা উচিত নয়। বাংলাদেশেও অফিসিয়াল দাম বা স্থানীয় বিক্রয়-তথ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চীনের দামকে সরাসরি বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করে চূড়ান্ত বাজারদাম বলা ঠিক হবে না।
বাংলাদেশে যদি এটি আনঅফিশিয়ালভাবে আমদানি করা হয়, তাহলে চীনের মূল দামের সঙ্গে শিপিং, ট্যাক্স, আমদানিকারকের মার্জিন এবং অন্যান্য খরচ যোগ হয়ে প্রকৃত বিক্রয়মূল্য অনেকটাই পরিবর্তিত হতে পারে।
iQOO Pad Ultra কাদের জন্য?
স্পেসিফিকেশন দেখলে পরিষ্কার যে iQOO Pad Ultra-এর মূল লক্ষ্য সাধারণ ট্যাবলেট ব্যবহারকারী নয়; বরং গেমার, পারফরম্যান্সপ্রেমী এবং হাই-পারফরম্যান্স ডিভাইস ব্যবহারকারী।
বিশেষ করে যারা—
- মোবাইল গেমে উচ্চ FPS চান
- ছোট ও হালকা গেমিং ট্যাবলেট চান
- দীর্ঘ সময় গেম খেলার সময় কুলিং নিয়ে চিন্তিত
- শক্তিশালী প্রসেসরের সঙ্গে বেশি RAM ও দ্রুত স্টোরেজ চান
- ভিডিও দেখা ও গেমিংয়ের জন্য উচ্চ রিফ্রেশ রেটের OLED স্ক্রিন চান
- একই ডিভাইসে gaming এবং productivity—দুটিই করতে চান
তাদের জন্য iQOO Pad Ultra-এর স্পেসিফিকেশন বেশ আকর্ষণীয় হতে পারে।
অন্যদিকে শুধু YouTube, Facebook, ওয়েব ব্রাউজিং বা সাধারণ পড়াশোনার জন্য একটি ট্যাবলেট দরকার হলে এর এত শক্তিশালী হার্ডওয়্যার সবার প্রয়োজন নাও হতে পারে।
শেষ কথা
iQOO Pad Ultra মূলত এমন একটি ট্যাবলেট, যেখানে কমপ্যাক্ট ডিজাইনের সঙ্গে ফ্ল্যাগশিপ-লেভেলের পারফরম্যান্স এবং গেমিং ফিচার একসঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
8.8-inch 165Hz OLED ডিসপ্লে, 2nm Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6, Q4 gaming chip, বিল্ট-ইন অ্যাক্টিভ কুলিং, 9,020mAh ব্যাটারি এবং সর্বোচ্চ 1TB স্টোরেজ—সব মিলিয়ে এটি সাধারণ মিড-রেঞ্জ ট্যাবলেটের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন শ্রেণির ডিভাইস।
তবে বাংলাদেশ ও ভারতের পাঠকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অফিসিয়াল স্থানীয় লঞ্চ, warranty এবং final retail price। চীনের লঞ্চ মূল্য দেখে সরাসরি বাংলাদেশি বাজারদাম ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। স্থানীয় বাজারে ডিভাইসটির আনুষ্ঠানিক availability ও দাম নিশ্চিত হলে তখনই কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশি যুক্তিযুক্ত।
সারসংক্ষেপে, iQOO Pad Ultra-এর সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো—ছোট আকারের একটি gaming-focused tablet, যার লক্ষ্যই হলো high-refresh-rate display এবং flagship performance একসঙ্গে দেওয়া।
এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মতামত অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এছাড়াও তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে অথবা আপনার সমস্যার কথা জানাতে Ask করুণ টিপি সমাধান -এ। আপনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্নের উত্তর ও সমস্যার সমাধান দিতে টিপি সমাধান আছে আপনার পাশে।
বিঃদ্রঃ টেক প্রহরে প্রকাশিক সকল কনটেন্ট (যেমনঃ লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও, কোড, ফাইল ইত্যাদি) এবং যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায়ভার শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকের বা লেখকের। আপনার যদি টেক প্রহরে প্রকাশিক কোনো কনটেন্ট এর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তাহলে কনটেন্ট রিপোর্ট অথবা অপসারণের অনুরোধ করতে পারেন, আমরা আপনার অভিযোগটি খতিয়ে দেখবো এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.